July 29, 2026, 2:18 pm
শিরোনাম:
খুলনা জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টার সঙ্গে নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও ভেজাল: দেখার কেউ নেই ডুমুরিয়ার আন্দুলিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ছানি রোগী বাছাই ডুমুরিয়ায় সদর ইউনিয়নে বিএনপি নেতা শাহজাহান জমাদ্দারের ব্যাপক গণসংযোগ খুলনা জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের ১৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন কুয়েটে ভাইস-চ্যান্সেলরের বিশেষ উদ্যোগে প্রাক্তন শিক্ষার্থী সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত ডুমুরিয়ার‌ খর্নিয়া হরি ভদ্র নদী ডোমরা বিলের দুর্গত এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রশাসন # আরো‌ ২টি ড্রেজিং মেশিন এনে দূরুত্ব পলি তুলে ‌জরুরী ভিত্তিতে পলি অপসারণ নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকার। ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ভিশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প বাড্ডায় অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে বিটাকের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ, তদন্তের দাবি মির্জাপুর ও সাজিয়াড়া সড়ক মেরামত: ডুমুরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহজাহান জমাদ্দারের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

খুমেক হাসপাতালে দুই বছর ধরে বিকল ১৬০ স্লাইস সিটি স্ক্যান মেশিন: তোশিবা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগে ব্যর্থতা

খুলনা প্রতিনিধি, আবির হোসেন।

খুলনা প্রতিনিধি আবির হোসেন: খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ প্রায় দুই বছর ধরে ১৬০ স্লাইস সিটি স্ক্যান মেশিন (Model: Aquilion Prime, SN: 24CI843514, Brand: Toshiba, Origin: Japan) বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। ২০২৪ সালের ২ আগস্ট মেশিনটি নষ্ট হওয়ার পর থেকে এখনো পর্যন্ত তা মেরামত না হওয়ায় রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, বিষয়টি অবহিত করার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রথমে ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট মেশিনটি মেরামতের তারিখ নির্ধারণ করে। নির্ধারিত সময়েও কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পুনরায় যোগাযোগ করলে ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ দেওয়া হয়। কিন্তু ওই সময়েও মেশিনটি সচল করা হয়নি।
মেশিন মেরামতের বিষয়ে তোশিবা হেড অফিস কোম্পানির ম্যানেজার মো. আওয়াল সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দৈনিক খুলনা সমাচারের প্রতিনিধি একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর (০১৮১৯২৬২০৯৪) এ কল করেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এস এম আলতাপ হোসেন বলেন, মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও বারবার আশ্বাস ছাড়া বাস্তব কোনো অগ্রগতি নেই। এতে সাধারণ ও দরিদ্র রোগীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. কাজী মো. আইনুল ইসলাম বলেন, “মেশিনটি নষ্ট হওয়ার পর আমি নিজে ঢাকায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সরেজমিনে কথা বলে এসেছি। তারপরও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কার্যকর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দ্রুত মেশিনটি মেরামত করা গেলে আমরা গরিব ও অসহায় রোগীদের সেবা দিতে পারবো।”
চিকিৎসাসেবা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে খুলনা অঞ্চলের হাজারো রোগীকে ব্যয়বহুল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত মেশিনটি সচল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।