নিজস্ব প্রতিবেদক :
এখন একের পর এক গুলির ঘটনা ঘটে খুলনা নগরে। হঠাৎ করে সন্ত্রাসীদের কার্যক্রমও বেড়ে যায়। বেড়ে গেছে মাদকের কারবারও। মাদক ও চাঁদাবাজির কাণ্ডে খুনখারাবির ঘটনা ঘটছে অহরহ। এ ছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর মধ্যে ঘটছে সংঘাতের ঘটনা। বেড়ে গেছে চাঁদাবাজিও।
এই পরিস্থিতিতে গত মার্চে খুলনা নগরের আট থানায় শীর্ষ ২৮ জন চাঁদাবাজ, ৪৭ সন্ত্রাসী ও ৪০০ মাদক কারবারিসহ মোট ৪৭৫ জন অপরাধীর তালিকা তৈরি করে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ। তালিকায় রাজনৈতিক সংগঠন ছাড়াও সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের মধ্যে খুলনার শীর্ষ আটটি সন্ত্রাসী সংগঠনের নাম তালিকার ওপরের দিকে রয়েছে। সূত্র জানায়, কয়েকটি ক্যাটাগরিতে এ তালিকা করা হয়েছে। রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, সাংবাদিক, শীর্ষ সন্ত্রাসী সংগঠন, অস্ত্রবাজ, মাদক বিক্রেতা ও সোনা চোরাচালানকারীরা এ তালিকায় রয়েছে।
পুলিশের গোয়েন্দা ইউনিটের তথ্যমতে, মহানগরীর ৩০২টি বস্তিতে দুজন করে প্রশিক্ষিত শুটার রয়েছে। এ ছাড়া এসব বস্তিতে গড়ে চারজন করে নারী মাদক বিক্রেতা রয়েছে। যারা খুবই ভয়ানক।
তবে তালিকাভুক্ত এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে গত ঈদুল ফিতরের পর যৌথ অভিযান শুরুর কথা থাকলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। আলোচিত কোনো চাঁদাবাজ বা শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার হয়নি।
এরপর নতুন করে তালিকা করল র্যাব। র্যাব-৬ সূত্র জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে অপরাধীদের একটি ‘আনবায়াসড’ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
এই তালিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে র্যাব-৬-এর অধিনায়ক নিস্তার আহমেদ বলেন, প্রাথমিকভাবে চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তবে আলাদা করে কোনো ক্যাটাগরি করা হয়নি। তালিকায় কোনো রাজনৈতিক দলের নেতারা থাকলে তাঁদেরও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।