July 28, 2026, 3:40 pm
শিরোনাম:
খুলনা জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টার সঙ্গে নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও ভেজাল: দেখার কেউ নেই ডুমুরিয়ার আন্দুলিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ছানি রোগী বাছাই ডুমুরিয়ায় সদর ইউনিয়নে বিএনপি নেতা শাহজাহান জমাদ্দারের ব্যাপক গণসংযোগ খুলনা জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের ১৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন কুয়েটে ভাইস-চ্যান্সেলরের বিশেষ উদ্যোগে প্রাক্তন শিক্ষার্থী সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত ডুমুরিয়ার‌ খর্নিয়া হরি ভদ্র নদী ডোমরা বিলের দুর্গত এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রশাসন # আরো‌ ২টি ড্রেজিং মেশিন এনে দূরুত্ব পলি তুলে ‌জরুরী ভিত্তিতে পলি অপসারণ নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকার। ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ভিশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প বাড্ডায় অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে বিটাকের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ, তদন্তের দাবি মির্জাপুর ও সাজিয়াড়া সড়ক মেরামত: ডুমুরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহজাহান জমাদ্দারের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

ব্রক্ষগাতীর প্রধান সড়কে অবহেলায় পড়ে আছে গার্ড পিলার, বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা

দিঘলিয়া প্রতিনিধি :

 

দিঘলিয়া,খুলনা,প্রতিনিধি:
সড়ক নির্মাণের এক বছর পার হলেও খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার ব্রক্ষগাতী এলাকার প্রধান সড়কে স্থাপন করা গার্ড পিলারগুলো এখনো পড়ে আছে যেখানে সেখানে মুখ থুবড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্মিত গার্ড পিলারগুলো যথাযথভাবে স্থাপন না করায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

স্থানীয়ভাবে “ব্রিজের সাইড পিলার”, “রোড মার্কার পিলার” কিংবা “সতর্কতা খুঁটি” নামে পরিচিত এসব গার্ড পিলার মূলত রাস্তার বাঁক, কালভার্ট ও সড়কের সীমা নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে রাতে যানবাহন চালকদের রাস্তার দিক বুঝতে সহায়তা করা, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।

ব্রক্ষগাতী এলাকার বহুল পরিচিত “আবু বক্কর চেয়ারম্যানের বাড়ি” সংলগ্ন কালভার্টের দুই পাশে এসব গার্ড পিলার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবে অধিকাংশ পিলার এখনো সড়কের পাশে এলোমেলোভাবে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এলাকাবাসী জানান, সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু কালভার্ট ও আঁকাবাঁকা অংশে গার্ড পিলার না থাকায় রাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায় বলেও তারা মন্তব্য করেন।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না। পড়ে থাকা পিলারগুলো অনেক জায়গায় ভেঙেও যাচ্ছে, ফলে সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে বলে দাবি তাদের।বিশেষজ্ঞদের মতে, সাদা-কালো বা হলুদ-কালো রঙের রিফ্লেক্টরযুক্ত গার্ড পিলার বা ডেলিনেটর পোস্ট সড়ক নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এগুলো সঠিকভাবে স্থাপন করা হলে রাতে দুর্ঘটনা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত গার্ড পিলারগুলো যথাযথভাবে স্থাপন করে সড়কটি নিরাপদ করা হোক। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।