July 28, 2026, 12:12 pm
শিরোনাম:
খুলনা জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টার সঙ্গে নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও ভেজাল: দেখার কেউ নেই ডুমুরিয়ার আন্দুলিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ছানি রোগী বাছাই ডুমুরিয়ায় সদর ইউনিয়নে বিএনপি নেতা শাহজাহান জমাদ্দারের ব্যাপক গণসংযোগ খুলনা জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের ১৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন কুয়েটে ভাইস-চ্যান্সেলরের বিশেষ উদ্যোগে প্রাক্তন শিক্ষার্থী সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত ডুমুরিয়ার‌ খর্নিয়া হরি ভদ্র নদী ডোমরা বিলের দুর্গত এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রশাসন # আরো‌ ২টি ড্রেজিং মেশিন এনে দূরুত্ব পলি তুলে ‌জরুরী ভিত্তিতে পলি অপসারণ নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকার। ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ভিশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প বাড্ডায় অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে বিটাকের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ, তদন্তের দাবি মির্জাপুর ও সাজিয়াড়া সড়ক মেরামত: ডুমুরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহজাহান জমাদ্দারের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

ফজরের নামাজ চলাকালে খুলনায় মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা: গুলিবিদ্ধ দুই মুসল্লি, আতঙ্কে এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন পশ্চিম কাশিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জামে মসজিদে ফজরের নামাজ চলাকালে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই মুসল্লি আহত হয়েছেন। রোববার (১৪ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন—মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি লোকমান হাকিম (৪৫) ও মুসল্লি আলম মন্ডল (৫৫)। লোকমান হাকিম উত্তর কাশিপুর এলাকার মৃত জব্বার শেখের ছেলে এবং আলম মন্ডল একই এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফজরের নামাজ চলাকালে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মসজিদে প্রবেশ করে লোকমান হাকিমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পাশে থাকা মুসল্লি আলম মন্ডলও গুলিবিদ্ধ হন। হামলায় লোকমান হাকিমের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, আলম মন্ডলের মাথা, গলার বাম পাশ ও ডান হাতের বাহুতে গুলি লাগে। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত।
মসজিদের মতো পবিত্র স্থানে ফজরের নামাজের সময় এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি শান্তি ও ধর্মীয় পরিবেশের ওপর সরাসরি আঘাত। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জড়িত সন্ত্রাসীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। হামলার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ। বিস্তারিত তদন্ত শেষে জানানো হবে।