July 28, 2026, 11:12 am
শিরোনাম:
খুলনা জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টার সঙ্গে নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও ভেজাল: দেখার কেউ নেই ডুমুরিয়ার আন্দুলিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ছানি রোগী বাছাই ডুমুরিয়ায় সদর ইউনিয়নে বিএনপি নেতা শাহজাহান জমাদ্দারের ব্যাপক গণসংযোগ খুলনা জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের ১৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন কুয়েটে ভাইস-চ্যান্সেলরের বিশেষ উদ্যোগে প্রাক্তন শিক্ষার্থী সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত ডুমুরিয়ার‌ খর্নিয়া হরি ভদ্র নদী ডোমরা বিলের দুর্গত এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রশাসন # আরো‌ ২টি ড্রেজিং মেশিন এনে দূরুত্ব পলি তুলে ‌জরুরী ভিত্তিতে পলি অপসারণ নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকার। ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ভিশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প বাড্ডায় অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে বিটাকের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ, তদন্তের দাবি মির্জাপুর ও সাজিয়াড়া সড়ক মেরামত: ডুমুরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহজাহান জমাদ্দারের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

দৌলতপুরে “স্বপ্নধারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লি:” ঘিরে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ: কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার আশঙ্কা,

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা:
খুলনার দৌলতপুর এলাকায় মো: আ: রহিম শিকদার পরিচালিত “স্বপ্নধারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লি:” (ঠিকানা: ৮২৩/১৩, আপার যশোর রোড, হাজী শরীয়ত উল্লাহ মার্কেট, দৌলতপুর, খুলনা) ঘিরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ ও কার্যক্রম নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, নতুন সমিতির কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মীর মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহ ও আর্থিক লেনদেন করা হচ্ছে। অভিযোগকারীদের দাবি, দিঘলিয়া বারাকপুরের মিস সুমি খাতুন, আড়ংঘাটার সিনথিয়া আক্তার মাহি, খালিশপুরের মরিয়ম খাতুন মিম, দিঘলিয়া সেনাটির সুমি খাতুনসহ কয়েকজনের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও যাচাই প্রয়োজন। জেলা সমবায় কর্মকর্তা মো:জহিরুল ইসলাম তিনি বলেন সমবায় অফিসের অনুমোদন ছাড়া কোন সমিতি সমবায় নাম ব্যবহার করলে আমরা নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্হা নিবো এছাড়া
এ বিষয়ে উপজেলা সমবায় অফিসার খন্দকার জহিরুল ইসলাম বলেন,
“সমবায় আইন অনুযায়ী নিবন্ধন ও অনুমোদন ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান ‘সমবায়’ নাম ব্যবহার করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না। এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষকে টাকা দেওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানের বৈধ কাগজপত্র যাচাই করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।”
সমবায় সংশ্লিষ্টরা জানান, সমবায় সমিতি আইন, ২০০১-এর ধারা ৯ (৪) সর্বোচ্চ ৭(সাত) বছর কারাদণ্ড অথবা নূন্যতম ১০(দশ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারে নিবন্ধন ছাড়া ‘সমবায়’ শব্দ ব্যবহার করা আইনগত অপরাধ হতে পারে। এছাড়া প্রতারণা, ভুয়া তথ্য বা অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত অর্থের নিরাপত্তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করুক এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।