মোঃ মামুন মোল্লা,হেড অফ মার্কেটিং
খানজাহান আলী থানার মশিয়ালী গ্রামের পূর্ব পাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মশিয়ালী গ্রামের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শেখ মোঃ আব্দুর রশিদ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ২৮ মার্চ আমার ছোট ভাই নুরুজ্জামান (৫৮)অবিবাহিত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পূর্বে ওয়ারেশ সূত্রে প্রাপ্ত চল্লিশ শতক জমির মধ্য থেকে ৮ শতক জমি সে বিক্রয় করে। এবং ছোট ভাই মোঃ রেজাউল করিম ০.২৫ শতাংশ জমি হেবা করে নেয়। নুরুজ্জামানের মৃত্যুর পর আমরা হেবা বিষয়ে জানতে পারি। এবং পরবর্তীতে হেবা দলিল বাতিল করার জন্য জজ কোর্টে মামলা করি। মামলা নাম্বার ৮৩/২৫। মামলাটি বর্তমানে চলমান। নুরুজ্জামানের বিক্রয় ও হেবা দলিল বাদে ওই দাগে আরও ৭ শতাংশ জমি রহিয়াছে। যাহার উপর তার বাড়ি ও ভাড়াটিয়া বাড়ি অবস্থিত। এই জমি ও বাড়ির উপর তার ওয়ারেশ যেমন ভাই মোঃ মোসলেম উদ্দিন, শেখ মোঃ আব্দুর রশিদ, মোঃ রেজাউল করিম, মোঃ আমিরুল ইসলাম, বোন সাহিদা ও জাহিদা বেগমের সমান অধিকার রহিয়াছে। বর্তমানে বাড়িটি আমাদের তিন ভাই ও এক বোনের দখলে। ভাড়াটিয়া বাড়ির ভাড়া আমাদের আর এক ভাই রেজাউল নেয়।
গত ২৭ জুলাই বেলা আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে আমার প্রতিবেশী মামা কওছার মোড়লের
মাধ্যমে আমার ভাই মোসলেম উদ্দিন জানতে পারে তিনজন সন্ত্রাসী আমাদের বাড়ির বেড়া ভাঙছে। এদের দু’জনের মাথায় হেলমেট ও একজনের মুখে গামছা বাধা ছিল। আমার ভাই তাদের বেড়া ভাঙতে নিষেধ করায় তারা ধারালো অস্ত্র, চাইনিজ কুড়াল ও বড় ছোড়া দিয়ে তার উপর আক্রমণ চালায়। সে প্রাণভয়ে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করে। তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজনসহ আমার ভাইপো তানভীর, নাঈম, চাচাতো ভাই মান্নান এগিয়ে আসে। সবাই মিলে সন্ত্রাসীদের আটকের চেষ্টা করলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় আমার নাতনী মাইশা খাতুন মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে এবং তাদের আসা-যাওয়া সম্পর্কে মশিয়ালী হাফিজিয়া ও এতিমখানার সিসিটিভি ফুটেজে তথ্য আছে।
এ ঘটনায় আমার বড় ভাই মোঃ মোসলেম উদ্দিন বাদী হয়ে খানজাহান আলী থানায় একটি এজাহার দাখিল করেছেন।