October 28, 2026, 6:23 pm
শিরোনাম:
নতুন রাস্তায় ইঞ্জিনিয়ারিং দোকানে চুরি! সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি, পরিচয় শনাক্তে সহযোগিতা কামনা ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা: ডুমুরিয়ায় ৩ মাসের কারাদণ্ডসহ র্যাব-৬ এর হাতে ১ জন আটক মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা উন্নয়ন পরিষদের ডেউটিন, ভ্যানগাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণ পানি কচুর সাফল্য ছাড়িয়ে ডুমুরিয়ার নিউটন মন্ডল এখন লেবুর কলম তৈরিতে সফল: অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত গিলাতলায় সার্বজনীন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান গিলাতলায় আলোকিত তারুণ্য ফুটবল টুর্নামেন্টে ইয়াং টেন ব্রাদার্স ক্লাবের জয়লাভ। ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: হুইপ বকুল ডুমুরিয়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য খুলনায় পিএসসির আঞ্চলিক কার্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধন, চাকরিপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে ডুমুরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় জুয়েলার্স ব্যবসায়ী নিহত, ঘাতক বাস পলাতক

দিঘলিয়ায় সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে ফেক আইডি, সম্মানহানির অভিযোগ, ভিত্তিহীন অভিযোগে নাম জড়ানোর ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

দিঘলিয়া প্রতিনিধি

 

দিঘলিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি:
খুলনার দিঘলিয়ায় সাংবাদিক এস.এম. শামীমের ছবি ব্যবহার করে ‘আমাদের সেনহাটি’ নামে একটি ফেসবুক আইডি দীর্ঘদিন ধরে পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।

ওই আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির সামাজিক ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর পোস্ট করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক এস.এম. শামীম। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি তার নিজেরও সামাজিকভাবে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

সাংবাদিক এস.এম. শামীমের দাবি, গত ৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে বিষয়টি তার নজরে আসে। এরপর তিনি বিলম্ব না করে ৮ জুলাই ২০২৫ দিঘলিয়া থানায় ‘আমাদের সেনহাটি’ নামের ফেসবুক আইডির নাম ও ইউআরএল (লিংক) উল্লেখ করে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ওই জিডির নম্বর ৪২০।

তবে অভিযোগের প্রায় এক বছর পর, গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দিঘলিয়ার সেনহাটি ইউনিয়নের হাজিগ্রাম এলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোহেল নামে এক যুবক ওই ফেসবুক আইডির বিষয়ে অভিযোগ করতে গিয়ে সাংবাদিক এস.এম. শামীম এবং তার পত্রিকা ‘দৈনিক অনির্বাণ’-এর নাম উল্লেখ করেন বলে দাবি করেছেন শামীম।

শামীমের অভিযোগ, ওই যুবক কোনো তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন না করেই ‘আমাদের সেনহাটি’ ফেসবুক আইডিটি তার (এস.এম. শামীমের) বলে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে অভিযোগের একটি কপি অভিযোগকারী নিজ ফেসবুক আইডিসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন।

তিনি আরও দাবি করেন, অভিযোগের কপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন আইডি থেকে তার নাম উল্লেখ করে কুরুচিপূর্ণ, অশ্লীল ও গালিগালাজপূর্ণ মন্তব্য করা শুরু হয়। এতে তিনি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও মানসিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

সাংবাদিক এস.এম. শামীম বলেন, “আমি প্রথমে ‘আমাদের সেনহাটি’ নামের ফেসবুক আইডিটি আমার ছবি ব্যবহার করে পরিচালিত হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। অথচ পরবর্তীতে ওই আইডিটি আমার—এমন দাবি করে আমার নাম, পত্রিকার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্য উল্লেখ করে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন।”

তিনি বলেন, “প্রকৃতপক্ষে কে বা কারা আমার ছবি ব্যবহার করে ফেক আইডিটি পরিচালনা করছে, সেটি তদন্ত করে শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ব্যক্তি কী তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ওই ফেসবুক আইডিটি আমার বলে উল্লেখ করেছেন, সেটিও তদন্ত করা প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে তিনি দিঘলিয়ার প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ফেক আইডি পরিচালনাকারী ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং অভিযোগে তার নাম ও পরিচয় ব্যবহারের বিষয়টিও তদন্তের দাবি করেছেন তিনি।

তবে ‘আমাদের সেনহাটি’ ফেসবুক আইডিটি কে বা কারা পরিচালনা করছেন এবং অভিযোগকারী সোহেল কী তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সাংবাদিক এস.এম. শামীমের নাম উল্লেখ করেছেন—এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও তদন্তের ফলাফল এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।