October 28, 2026, 5:07 pm
শিরোনাম:
নতুন রাস্তায় ইঞ্জিনিয়ারিং দোকানে চুরি! সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি, পরিচয় শনাক্তে সহযোগিতা কামনা ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা: ডুমুরিয়ায় ৩ মাসের কারাদণ্ডসহ র্যাব-৬ এর হাতে ১ জন আটক মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা উন্নয়ন পরিষদের ডেউটিন, ভ্যানগাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণ পানি কচুর সাফল্য ছাড়িয়ে ডুমুরিয়ার নিউটন মন্ডল এখন লেবুর কলম তৈরিতে সফল: অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত গিলাতলায় সার্বজনীন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান গিলাতলায় আলোকিত তারুণ্য ফুটবল টুর্নামেন্টে ইয়াং টেন ব্রাদার্স ক্লাবের জয়লাভ। ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: হুইপ বকুল ডুমুরিয়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য খুলনায় পিএসসির আঞ্চলিক কার্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধন, চাকরিপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে ডুমুরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় জুয়েলার্স ব্যবসায়ী নিহত, ঘাতক বাস পলাতক

অফিস চলাকালে কর্মকর্তার চেম্বার বন্ধ, অযথা জ্বলছে লাইট-ফ্যান ডুমুরিয়া খাদ্য গুদামে অনিয়মের অভিযোগ—তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি নাগরিক সমাজের

স্টাফ রিপোর্টার,শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি :
খুলনার ডুমুরিয়া খাদ্য গুদামে অফিস চলাকালীন সময়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আমিনুর রহমান বুলবুলের চেম্বার দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার অভিযোগ উঠেছে। একই সময়ে অফিস সহায়কের কক্ষেও দীর্ঘ সময় কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে ওই কক্ষে লাইট ও ফ্যান এবং পাশের একটি কক্ষে লাইট জ্বলতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকার যখন বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও অপচয় রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, তখন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে অফিস চলাকালীন সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিতি এবং প্রয়োজন ছাড়া বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চালু রাখার অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সরকারি সম্পদ ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব। অথচ অফিস চলাকালীন সময়ে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কক্ষ বন্ধ থাকা এবং অপ্রয়োজনে লাইট-ফ্যান চালু থাকার বিষয়টি সরকারি দপ্তরের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে ডুমুরিয়া খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আমিনুর রহমান বুলবুলের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে স্থানীয় নাগরিক সমাজের কয়েকজন সদস্য বলেন, সরকারি অফিস জনগণের অর্থে পরিচালিত হয়। সেখানে দায়িত্বে অবহেলা, অফিস সময়ে অনুপস্থিতি কিংবা বিদ্যুতের অপচয়ের অভিযোগ থাকলে বিষয়টি হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই।
তারা আরও বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন। তদন্তে অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
নাগরিক সমাজের বক্তব্য, “সরকারি সম্পদের অপচয় বন্ধ এবং প্রতিটি সরকারি দপ্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত হবে। তাই অভিযোগটি দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।”