October 28, 2026, 3:10 pm
শিরোনাম:
নতুন রাস্তায় ইঞ্জিনিয়ারিং দোকানে চুরি! সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি, পরিচয় শনাক্তে সহযোগিতা কামনা ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা: ডুমুরিয়ায় ৩ মাসের কারাদণ্ডসহ র্যাব-৬ এর হাতে ১ জন আটক মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা উন্নয়ন পরিষদের ডেউটিন, ভ্যানগাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণ পানি কচুর সাফল্য ছাড়িয়ে ডুমুরিয়ার নিউটন মন্ডল এখন লেবুর কলম তৈরিতে সফল: অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত গিলাতলায় সার্বজনীন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান গিলাতলায় আলোকিত তারুণ্য ফুটবল টুর্নামেন্টে ইয়াং টেন ব্রাদার্স ক্লাবের জয়লাভ। ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: হুইপ বকুল ডুমুরিয়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য খুলনায় পিএসসির আঞ্চলিক কার্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধন, চাকরিপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে ডুমুরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় জুয়েলার্স ব্যবসায়ী নিহত, ঘাতক বাস পলাতক

ইলিশ রক্ষায় দাকোপের পশুর নদীতে যৌথ অভিযান: বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ ও বিনষ্ট

স্টাফ রিপোর্টার,শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা

 

​শেখ মাহতাব হোসেন:
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘মা ইলিশ’ নিরাপদে ডিম ছাড়ার সুযোগ করে দিতে খুলনার দাকোপে পশুর নদীতে এক যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে নৌ পুলিশ ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর। গত বৃহস্পতিবার পশুর নদীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দিনব্যাপী এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়।

​অভিযানকালে নদী থেকে আনুমানিক ৭০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং ৫টি বেহুন্দী জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত এসব অবৈধ জাল জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

​অভিযানে নেতৃত্ব দেন নৌ পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি প্রবীর কুমার রায়। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন নৌ পুলিশ খুলনা অঞ্চলের পুলিশ সুপার ডা. মুহাম্মদ মঞ্জুর মোর্শেদ, দাকোপ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. নুরুল আমিন হাওলাদার এবং দাকোপের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দিক।

​অভিযান শেষে নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি প্রবীর কুমার রায় বলেন, “জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। মা ইলিশ ডিম ছাড়ার এই বিশেষ সময়ে কোনো অসাধু জেলেকে নদীতে নামতে দেওয়া হবে না। পশুর নদীসহ দক্ষিণাঞ্চলের সবকটি প্রজনন ক্ষেত্রে নৌ পুলিশের কঠোর নজরদারি ও টহল অব্যাহত থাকবে।”

​সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দিক জানান, “ইলিশের বংশবৃদ্ধির জন্য এই প্রজনন মৌসুম অত্যন্ত সংবেদনশীল। কারেন্ট ও বেহুন্দী জালের মতো ক্ষতিকারক ফাঁদ মা ইলিশ ও জাটকার স্বাভাবিক বিচরণে বড় বাধা। দেশীয় ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে এবং প্রজনন নিশ্চিত করতে এই নিষিদ্ধ সময়ে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।”

​মৎস্য সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদী তীরবর্তী জেলে ও সাধারণ মানুষকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার এবং অবৈধ উপায়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।