October 28, 2026, 5:32 pm
শিরোনাম:
নতুন রাস্তায় ইঞ্জিনিয়ারিং দোকানে চুরি! সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি, পরিচয় শনাক্তে সহযোগিতা কামনা ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা: ডুমুরিয়ায় ৩ মাসের কারাদণ্ডসহ র্যাব-৬ এর হাতে ১ জন আটক মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা উন্নয়ন পরিষদের ডেউটিন, ভ্যানগাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণ পানি কচুর সাফল্য ছাড়িয়ে ডুমুরিয়ার নিউটন মন্ডল এখন লেবুর কলম তৈরিতে সফল: অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত গিলাতলায় সার্বজনীন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান গিলাতলায় আলোকিত তারুণ্য ফুটবল টুর্নামেন্টে ইয়াং টেন ব্রাদার্স ক্লাবের জয়লাভ। ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: হুইপ বকুল ডুমুরিয়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য খুলনায় পিএসসির আঞ্চলিক কার্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধন, চাকরিপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে ডুমুরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় জুয়েলার্স ব্যবসায়ী নিহত, ঘাতক বাস পলাতক

খুমেক হাসপাতালে দুই বছর ধরে বিকল ১৬০ স্লাইস সিটি স্ক্যান মেশিন: তোশিবা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগে ব্যর্থতা

খুলনা প্রতিনিধি, আবির হোসেন।

খুলনা প্রতিনিধি আবির হোসেন: খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ প্রায় দুই বছর ধরে ১৬০ স্লাইস সিটি স্ক্যান মেশিন (Model: Aquilion Prime, SN: 24CI843514, Brand: Toshiba, Origin: Japan) বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। ২০২৪ সালের ২ আগস্ট মেশিনটি নষ্ট হওয়ার পর থেকে এখনো পর্যন্ত তা মেরামত না হওয়ায় রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, বিষয়টি অবহিত করার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রথমে ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট মেশিনটি মেরামতের তারিখ নির্ধারণ করে। নির্ধারিত সময়েও কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পুনরায় যোগাযোগ করলে ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ দেওয়া হয়। কিন্তু ওই সময়েও মেশিনটি সচল করা হয়নি।
মেশিন মেরামতের বিষয়ে তোশিবা হেড অফিস কোম্পানির ম্যানেজার মো. আওয়াল সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দৈনিক খুলনা সমাচারের প্রতিনিধি একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর (০১৮১৯২৬২০৯৪) এ কল করেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এস এম আলতাপ হোসেন বলেন, মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও বারবার আশ্বাস ছাড়া বাস্তব কোনো অগ্রগতি নেই। এতে সাধারণ ও দরিদ্র রোগীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. কাজী মো. আইনুল ইসলাম বলেন, “মেশিনটি নষ্ট হওয়ার পর আমি নিজে ঢাকায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সরেজমিনে কথা বলে এসেছি। তারপরও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কার্যকর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দ্রুত মেশিনটি মেরামত করা গেলে আমরা গরিব ও অসহায় রোগীদের সেবা দিতে পারবো।”
চিকিৎসাসেবা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে খুলনা অঞ্চলের হাজারো রোগীকে ব্যয়বহুল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত মেশিনটি সচল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।