বিশেষ প্রতিনিধি : আক্তার হোসেন বাবলু।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর খুলনা জেলা শাখার সমন্বয়কারী ও জাতীয় পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট মো. বাবুল হাওলাদার সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর এই নির্বাচনে পরিবেশ আন্দোলনে খুলনা অঞ্চলের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পরিবেশকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
গত ৯ ও ১০ জানুয়ারি রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর জাতীয় সম্মেলনের পর ১১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য দুই বছর মেয়াদি নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন এবং পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন, নদী দখল, বন উজাড় ও দূষণ প্রতিরোধসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।
নবগঠিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভা গত ১৮ জানুয়ারি রাজধানীর বাপা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাপার সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ তালুকদারকে সভাপতি এবং মো. আলমগীর কবিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ৪৬ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নবগঠিত এই কমিটিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পরিবেশ আন্দোলনে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় শিক্ষক, গবেষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী ও পরিবেশকর্মীরা অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, এই কমিটি পরিবেশ রক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
কেন্দ্রীয় কমিটিতে অ্যাডভোকেট মো. বাবুল হাওলাদারের অন্তর্ভুক্তিকে খুলনা অঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নদী দখল, জলাভূমি ভরাট, শিল্প দূষণ, সুন্দরবন রক্ষা এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পরিবেশ ইস্যুতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছেন।
বাপার নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী ও পরিবেশ আন্দোলনের সংগঠক হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. বাবুল হাওলাদার কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন এবং পরিবেশবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।
উল্লেখ্য, অ্যাডভোকেট মো. বাবুল হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ সংরক্ষণ, জনস্বার্থ রক্ষা ও সামাজিক আন্দোলনে যুক্ত রয়েছেন। তিনি বিভিন্ন পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনি সহায়তা, গণআন্দোলন ও সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। তাঁর এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সাংগঠনিক শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন পরিবেশ সচেতন মহল।