বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি, মোঃ নুরুল আলম:
খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারের ভুল চিকিৎসা ও নার্সদের বিরুদ্ধে রোগীর প্রতি অবহেলার অভিযোগ উঠেছে ।
ভূক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে সাবিনা (মায়া) নামের এক নারী বাদী হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ওয়েদুজ্জামান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বটিয়াঘাটা উপজেলার ২ নং বটিয়াঘাটা ইউনিয়নের ভেন্নাবুনিয়া গ্ৰামের সাবিনার মা গুরুদাসী মন্ডল গত ১৫ দিন পূর্বে বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। এসময় ডাক্তারের পরামর্শে তাদের কমিশনে ডায়াগনস্টিক সেন্টার পপুলারে গত ২২ মার্চ ও উপশমে গত ২৯ মার্চ ডায়বেটিস সহ আরো অনেক পরিক্ষা করে । রিপোর্ট অনুযায়ী ডায়াবেটিস ধরা পড়ে । সে মোতাবেক ডাক্তার রোগীকে প্রতিদিন দিন-রাত মিলিয়ে তিনবার ইনস্যুলেন্স দেয়া শুরু করে । পরবর্তীতে ডায়াবেটিস’র অবস্থা পরিক্ষা-নিরীক্ষা না করে ইনস্যুলেন্স চালাতে থাকে । এতে করে রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে সারা শরীরে প্রদাহ শুরু হয় এবং গা মাথা ঘেমে মরনাপন্ন অবস্থায় উপনীত হয়। এছাড়াও নার্স সরমা বৈরাগী ঠিকমত দায়িত্ব পালন করতো না । খবর পেয়ে রোগীর মেয়ে সাবিনা(মায়া) বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসলে ডাক্তাররা তড়িঘড়ি করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন । ডাক্তারের ভুল চিকিৎসা ও নার্সদের অবহেলায় রোগীর অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক । এব্যাপারে ভূক্তভোগী রোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে ডাক্তার ও নার্সদের বিরুদ্ধে বিচারের দাবি জানিয়েছে। এছাড়া বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টি এইচ ও ডাক্তার ওহিদুজ্জামান এর বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ পাওয়া যায়। হাসপাতালে জাতীয় পতাকা সঠিক সময়ে উত্তোলন না করে ইচ্ছামত সময়ে উত্তোলন করে থাকে, মর্মে জানা যায়। বিধায় ০২/০৪/২০২৬ তারিখ দেখা গেছে ১১:৪ মিনিটে পতাকা জাতীয় উত্তোলন করেন, যা ইতোমধ্যে ফেসবুক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা বিগত কয়েকদিন খেয়াল করলাম, অধিকাংশ রোগীরা মশারি পায়না, অধিকাংশ প্রয়োজনীয় ঔষুধগুলো বাইরের ফার্মেসী থেকে কিনতে হয়, খাবারের মান নিয়েও অনেকে বলেছে খাবারের মানের আরও উন্নয়ন করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বটিয়াঘাটার মানুষ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয় সেদিক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান।