হবে।
অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিনিধিত্বশীল কাঠামোর মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনর্গঠন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণই হবে এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এদের মধ্যে রয়েছে- সম্প্রতি বিএনপিতে যোগ দেওয়া ড. রেজা কিবরিয়াকে অর্থ মন্ত্রণালয়, এনডিএম ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেওয়া ববি হাজ্জাজ, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর এবং টেকনোক্র্যাট কোটায় ১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার আলোচনায় রয়েছে।
এদিকে খুলনা বিভাগে সামগ্রীকভাবে খুব একটা ভাল না করলেও খুলনা জেলায় ৬টি আসনের মধ্যে ৪টিতে জয় পেয়েছে বিএনপি। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের এমপি আজিজুল বারী হেলাল, কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের এমপি রকিবুল ইসলাম বকুল এবং খুলনা-৫ আসন থেকে নির্বাচিত আলি আসগর লবী আলোচনায় আছেন।
সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সরকার গঠনের শুরুটা হবে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে। সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ নেবেন রাষ্ট্রপতি। প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণের মধ্যে দিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এরপর নতুন প্রধানমন্ত্রী তার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠন শুরু করবেন। নতুন মন্ত্রিসভা কত সদস্যবিশিষ্ট হবে সেটা নির্ধারণ করবে নির্বাচনে বিজয়ী দল।